Indian People in Solidarity with Palestine (also mentioned as BDS India Bigul Mazdoor Dasta)
Palestine Shall Be Free: Anti-Imperialism Rally
নদী থেকে সাগর তীর ফিলিস্তিন হোক স্বাধীন!
ফিলিস্তিনের পক্ষে পথে নামুন, জায়নিস্ট ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে পথে নামুন! ১৭ জানুয়ারি সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী মিছিলে যোগ দিন!!
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টায় ইসরায়েল গাজায় কর্মরত ৩৭টি আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে—এর মধ্যে ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স ও ইউএনআরডব্লিউএ ও রয়েছে। গাজায় বাস্তবিকপক্ষে যে ত্রাণ সংস্থাগুলি কাজ করছে, তারাই অধিকাংশ ফিল্ড হেলথকেয়ার সেন্টার, জরুরি আশ্রয়ব্যবস্থা, জল ও স্যানিটেশন পরিষেবা, তীব্র অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের পুষ্টি স্থিতিকরণ কর্মসূচি এবং গুরুত্বপূর্ণ মাইন-অ্যাকশন কার্যক্রমগুলি মূলত চালাচ্ছে বা সহায়তা দিচ্ছে। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা গণহত্যামূলক যুদ্ধে স্কুল ও হাসপাতালসহ ৮৫–৯০% পরিকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায়, গাজার ফিলিস্তিনিরা বেঁচে থাকার জন্য প্রায় সম্পূর্ণরূপে ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল।
এমন পরিস্থিতিতে এই সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করতে “সন্ত্রাসবাদী যোগসূত্র”-এর পুরনো অজুহাতকে স্পষ্টতই ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কৌশলের অংশ হিসেবেই দেখতে হবে। আর এসব ঘটছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পূর্ণ আশীর্বাদে—যার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্যই অঞ্চলে ইসরায়েলের মতো এক গণহত্যাকারী বর্ণবাদী রাষ্ট্রের টিকে থাকা প্রয়োজন।
তবুও সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিরা ঔপনিবেশিক-সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, ইসরায়েলের অন্যায্য অস্তিত্বের মুখোশ খুলে দিচ্ছে। আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ন্যায়প্রেমী মানুষ ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতিতে দাঁড়িয়েছে। ভারতের মানুষও স্বাধীনতা আন্দোলনের দিন থেকেই ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য বহন করে।
এই শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, আমরা আবার মিছিলে নামছি—ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতিতে, এবং পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক যুদ্ধ ও যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর শিকার বিশ্বের সব জনগণের সঙ্গে সংহতিতে। বিস্তারিত নিচে—
মিছিলের যাত্রাপথ:
বিবেকানন্দ মূর্তি, গোলপার্ক রাউন্ডআবাউট, গড়িয়াহাট → ইন্ডিয়ান কফি হাউস, ৮বি মোড়, যাদবপুর
#bds #kolkata #bengal #bdsindia